আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা
অধ্যায় ৮ - সকল সূত্র ও টেকনিক
টাইপ ১: বিশেষ আপেক্ষিকতা (Relativity)
সময়, দৈর্ঘ্য এবং ভরের পরিবর্তন। এখানে \( t_0, L_0, m_0 \) হলো নিশ্চল অবস্থার মান।
💡
মনে রাখার টেকনিক:
- \( t > t_0 \) : গতিশীল ঘড়ি ধীরে চলে (সময় বেশি লাগে)।
- \( L < L_0 \) : গতিশীল বস্তুর দৈর্ঘ্য ছোট দেখায়।
- \( m > m_0 \) : গতিশীল অবস্থায় ভর বৃদ্ধি পায়।
টাইপ ২: ভর-শক্তি সম্পর্ক
$$ E = m c^2 = \frac{m_0 c^2}{\sqrt{1 - \frac{v^2}{c^2}}} $$
মোট শক্তি (Total Energy)
⚠️ সতর্কতা: আলোর কাছাকাছি বেগের ক্ষেত্রে \( E_k = \frac{1}{2} m v^2 \) ব্যবহার করা যাবে
না। অবশ্যই \( E_k = E - E_0 \) ব্যবহার করতে হবে।
টাইপ ৩: আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া
$$ E = W_0 + K_{max} $$
$$ hf = hf_0 + \frac{1}{2} m v_{max}^2 $$
আইনস্টাইনের আলোক-তড়িৎ সমীকরণ
- \( f_0 \) = সূচন কম্পাঙ্ক, \( \lambda_0 \) = সূচন তরঙ্গদৈর্ঘ্য
- \( V_s \) = নিবৃতি বিভব (Stopping Potential)
টাইপ ৪: কম্পটন ক্রিয়া ও ডি-ব্রগলি তরঙ্গ
$$ \Delta \lambda = \lambda' - \lambda = \frac{h}{m_0 c} (1 - \cos \phi) $$
কম্পটন সরণ (Wavelength Shift)
📌 \( \phi \) হলো ফোটনের বিক্ষেপণ কোণ (Scattering angle)।